পরিবর্তনশীল এই বিশ্বে মানুষ জীবনের প্রয়োজনে আপন জন্মভূমি ছেড়ে দূর-দূরান্তে বসতি গড়ে তোলে। কিন্তু সময়, দূরত্ব কিংবা ব্যস্ততা কখনোই জন্মভূমির প্রতি মানুষের ভালোবাসাকে ম্লান করতে পারে না। শিকড়ের প্রতি এই গভীর অনুরাগই মানুষকে একে অপরের কাছাকাছি নিয়ে আসে এবং একটি ঐক্যবদ্ধ, মানবিক ও দায়িত্বশীল সমাজ গঠনে অনুপ্রাণিত করে।
এই চেতনা থেকেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কসবা উপজেলা সমিতি, ঢাকা। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সংগঠনটি রাজধানীতে বসবাসরত কসবাবাসীর মধ্যে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবসেবা, সামাজিক উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে সংগঠনটি একটি আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
কসবা উপজেলা সমিতি কেবল একটি সংগঠন নয়, এটি কসবাবাসীর আবেগ, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের এক জীবন্ত প্রতীক। আমাদের লক্ষ্য শুধু পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি নয়, বরং নতুন প্রজন্মের কাছে কসবায়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং মানবিক মূল্যবোধ তুলে ধরা। আমরা বিশ্বাস করি, সম্মিলিত উদ্যোগই পারে একটি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলতে।
আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, প্রয়াত নেতৃবৃন্দ ও সকল শুভানুধ্যায়ীকে, যাঁদের দূরদর্শিতা ও ত্যাগের ভিত্তির ওপর আজকের এই সমিতি দাঁড়িয়ে আছে। একই সঙ্গে বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের সকল সদস্য, আজীবন সদস্য, উপদেষ্টা, পৃষ্ঠপোষক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের সহযোগিতা ও ভালোবাসাই আমাদের এগিয়ে চলার সবচেয়ে বড় শক্তি।
সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা, তিনি যেন কসবা উপজেলা সমিতি, ঢাকার উত্তরোত্তর সাফল্য দান করেন এবং সংগঠনের সকল সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সুস্বাস্থ্য, সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি দান করেন। আমীন।
মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া
সাধারণ সম্পাদককসবা উপজেলা সমিতি, ঢাকা।

